সময়

সময় কি? এই সংক্ষিপ্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে কি ঝামেলাই না পোহাতে হচ্ছে বিজ্ঞানীদের। সেই ১৯২৭ সালেই আর্থার এডিংটন সময়ের তীর শব্দের প্রচলন করেছিলেন। তারপর থেকে তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের মাধ্যমে সময়ের অনেক ব্যাখ্যাই দাড় করানো হয়েছে। কিন্তু কোনটাই বিজ্ঞানী মহলের সার্বিক সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারেনি। অনেকে বলেন, গত ২০ বছরে এই বিষয়ে তেমন কোন অগ্রগতিই হয়নি। অর্থাৎ বলার মত নতুন কিছু বিজ্ঞানীদের হাতে নেই। বাকি অংশ >>

ধর্মের প্রয়োজনীয়তা কি ফুরিয়ে গেছে?

“ক্যালিফোর্নিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি, চিকো”-র নৃবিজ্ঞান বিভাগ থেকে সম্পাদিত “Magic, Witchcraft and Religion” বইয়ে ধর্ম ও অতিপ্রাকৃতের নৃবিজ্ঞান নিয়ে বেশ কিছু প্রবন্ধ স্থান পেয়েছে। এর মধ্যে রবার্ট এইচ লোভির (Robert H. Lowie) একটি প্রবন্ধ আছে যার নাম “Religion in Human Life”। এটা পড়ার পরই কিছু লেখার তাড়া অনুভব করলাম। এমন একটা সময়ে প্রবন্ধটি লেখা যখন ধর্মের নৃবিজ্ঞান কেবল প্রতিষ্ঠা পেতে শুরু করেছিল এবং যখন সমাজের সাধারণ মানুষের উপর বিজ্ঞানের প্রভাব এতো বেশি ছিল না। ১৯৬৩ সালকে অনেকটা এরকমই ধরে নেয়া যায়। সমসাময়িক নৃতাত্ত্বিক চিন্তাধারা এবং সময়ের পটভূমিতে লোভির প্রবন্ধটি নিয়ে আলোচনা করাই এই প্রবন্ধের উদ্দেশ্য। তবে ব্যক্তিগত মতামত প্রকাশের আগে লোভির জীবন এবং প্রবন্ধটিতে তিনি ঠিক কি কি বলেছেন তা পরিষ্কার করে নিতে চাই। বাকি অংশ >>

মার্কিসনের অ্যামাইনো এসিড: দূষিত প্রমাণ?

মূল নিবন্ধ: Murchison’s Amino Acids: Tainted Evidence?
লেখক: Anne M. Rosenthal (অ্যান এম রোজেন্থাল)
অনুবাদ: খান মুহাম্মদ (শিক্ষানবিশ)

পৃথিবীর ইতিহাসের একেবারে প্রাথমিক সময়ে এর উপর ঝাঁকে ঝাঁকে উল্কাপিণ্ড বর্ষিত হতো। এরাই কি কোনভাবে পৃথিবীতে জীবন গঠনকারী রাসায়নিক একক বুনে দিয়ে গিয়েছিল? ইউনিভার্সিটি অফ ওকলাহহোমা’র ভূ-রসায়নবিদ মাইকেল এইচ এঙ্গেল বলেন, ইদানিংকালে পৃথিবীতে পতিত উল্কাপিণ্ডের রাসায়নিক গঠন নিয়ে গবেষণা করার মাধ্যমেই কেবল এর উত্তর মিলতে পারে। কারণ, এই পিণ্ডগুলো তুলনামূলক কম দূষণের শিকার হয়। পার্থিব বস্তু এবং আবহাওয়ার প্রভাব এর উপর খুব বেশি পড়তে পারে না। বাকি অংশ >>

বিশুদ্ধতার বিচার

বিশুদ্ধতার বিচারে বিজ্ঞানের কোন শাখা এগিয়ে আছে? সরাসরি জবাব দিলে অনেকেই মর্মাহত হতে পারেন। তাই একটা কৌতুকের মাধ্যমে উত্তর দিলে ভাল হয়। কৌতুকটা এমন:

সমাজবিজ্ঞানীরা মনোবিজ্ঞানী হতে চায়, কারণ মস্তিষ্ক বুঝলেই সমাজ বোঝা যাবে।
মনোবিজ্ঞানীরা জীববিজ্ঞানী হতে চায়, কারণ জীবন বুঝলেই মস্তিষ্ক বোঝা যাবে।
জীববিজ্ঞানীরা রসায়নবিদ হতে চায়, কারণ পদার্থ বুঝলেই জীবন বোঝা যাবে।
রসায়নবিদরা পদার্থবিজ্ঞানী হতে চায়, কারণ মহাবিশ্ব বুঝলেই পদার্থ বোঝা যাবে।
পদার্থবিজ্ঞানীরা ঈশ্বর হতে চায়।
আর ঈশ্বর হতে চায় গণিতবিদ।
বাকি অংশ >>

আত্মহননকারী বিজ্ঞানী

টেস্ট অফ চেরি সিনেমাটি দেখার পর আত্মহত্যা নিয়ে ঔৎসুক্য জাগাটাই স্বাভাবিক। আব্বাস কিয়ারোস্তামির এই সিনেমাটাই সবচেয়ে ভাল লেগেছে। এটা অবশ্য সবচেয়ে বিখ্যাতও হয়েছে। সিনেমাটি দেখার পর আমার প্রথম প্রতিক্রিয়া ছিল আত্মহত্যা নিয়ে ঘাটাঘাটি করা। মানুষ কেন আত্মহত্যা করে, আত্মহত্যার আগে তার মনের অবস্থা কেমন থাকে, আত্মহননকারীকে কি বুদ্ধিমান বলা যায়? আরও অনেক অনেক প্রশ্ন। এখন দেখছি প্রশ্নগুলোর সরাসরি উত্তর দেয়ার কোন উপায় নেই। ছবিতেও সরাসরি কিছু বলা হয়নি। কোন ছবিতেই অবশ্য সরাসরি কিছু বলা হয় না। সবকিছুই ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে বা কারও মুখ দিয়ে বের করে নিয়ে আসা হয়। বাকি অংশ >>

আন্তঃনাক্ষত্রিক বার্তা রচনা

ইউনিভার্সিটি অফ ওয়াইওমিং-এ একটা মজার কোর্স আছে। অধ্যাপক জেফ লকউড এই কোর্সটি পড়ান। কোর্সটি হল সৃজনশীল রচনা বিষয়ক। বহর্বিশ্বের কোন বুদ্ধিমান প্রজাতির সাথে যদি আমাদের সাক্ষাৎ ঘটে তাহলে আমরা তাদেরকে কি জিজ্ঞেস করবো বা তাদের সাথে প্রথমে কি কথা বলব তা চর্চা করাই এই কোর্সের কাজ। বেশ গুরুত্বের সাথে সেখানে কোর্সটি পড়নো হয়। কোর্সের নাম “Interstellar Message Composition” তথা আন্তঃনাক্ষত্রিক বার্তা রচনা। ন্যাসা’র ওয়াইওমিং স্পেস গ্র্যান্ট কমিশনের আংশিক অর্থানুকূল্যে এই কোর্স চলে। বাকি অংশ >>

লাইকার ছবি

laika-1

স্পুতনিক ২ এর ছোট্ট কেবিনে বন্দি লাইকা। উৎক্ষেপণের আগে। বাকি ছবিগুলো দেখুন >>

প্রকৃতিতে প্রথম অতিভারী মৌল

মাধ্যমিক পর্যায়ের রসায়ন বইয়েই আমরা সবাই পড়ে থাকি যে, সর্বমোট মৌলিক পদার্থের সংখ্যা ১০৯ টি যার মধ্যে ৯২টি প্রকৃতিতে পাওয়া যায় এবং বাকি ১৭টি নিউক্লীয় চুল্লীতে কৃত্রিমভাবে উৎপাদন করতে হয়। তখন পর্যন্ত পর্যায় সারণী ১০৯ মৌলেই সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু বর্তমানে তা প্রায় ১১৮ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। বিজ্ঞানীরা ১১১ থেকে ১১৮ পারমাণবিক সংখ্যাবিশিষ্ট মৌলগুলো গবেষণাগারে কৃত্রিমভাবে উৎপাদন করেছেন। ৯০ থেকে ১০৯ পর্যন্ত মৌলগুলোকে ভারী মৌল বললে, ১০৯ এর পরের গুলোকে স্বাভাবিক কারণেই অতিভারী মৌল বলা যেতে পারে। বাকি অংশ

কণা কোয়ান্টাম থেকে তরঙ্গ: ১

ময়মনসিংহে আমাদের বর্তমান বাসা থেকে ২০০ গজ হাটলেই মুসলিম ইনস্টিটিউট লাইব্রেরি। অনেক আগে থেকেই তাই এই লাইব্রেরিতে যাতায়াত। একটি বিশেষ কারণে ময়শনসিংহ শহরের সরকারী গণগ্রন্থাগারে যাতায়াত বন্ধ হয়ে গেছে। মুসলিম ইনস্টিটিউটে খুঁজতে খুঁজতে জনপ্রিয় বিজ্ঞানের উপর ভাল ভাল বেশ কিছু বই পেয়েছি। সবগুলো বই একসাথে জড়ো করে রেখেছি। একটা একটা করে ইস্যু করে পড়া যাবে। সবগুলো বইই প্রাচীন এবং বাংলাদেশের সাধারণ বই বাজারে বেশ দুর্লভ। এবার ইস্যু করলাম জর্জ গামফের “The Creation of The Universe” এর মোহাম্মদ আবদুল জব্বারকৃত অনুবাদ এবং রুশ লেখক ইয়া আ স্মোরোদিনস্কির একটি বইয়ের বঙ্গানুবাদ যার নাম “কণা কোয়ান্টাম ও তরঙ্গ”।

ইংরেজি অনুবাদ থেকে কণা কোয়ান্টাম ও তরঙ্গ বইয়ের বাংলা অনুবাদ করেছেন সুব্রত বড়ুয়া। আর মূল রুশ থেকে ইংরেজি অনুবাদটি করেছেন ভি কিজিন। রাশিয়া জনপ্রিয় বিজ্ঞান সাহিত্য ভাণ্ডার বেশ সমৃদ্ধ। এই বইটি পড়তে গিয়ে আবার প্রমাণ পেলাম। আর রুশ বইয়ের বঙ্গানুবাদও বেশী হয়েছে। এই বইটি থেকেই কিছু কিছু বিষয় নিজের ভাষায় লিখে রাখার চেষ্টা করছি এখানে। বাকি অংশ >>

স্বতন্ত্র বলয়

মুক্ত-মনার সাথে অনেক দিন আগেই পরিচয় হয়েছিল। সচলায়তনে লিখতে গিয়ে অভিজিৎ রায়ের সাথে পরিচয়। অবশ্য তার লেখা বই আগে পড়েছিলাম। মুক্ত মনা নতুন একটি বই প্রকাশ করতে যাচ্ছে। এই বইয়ের জন্য লেখা আহ্বান করা হয়েছে। অভিজিৎ রায়-ই সচলায়তনে ব্যক্তিগত ম্যাসেজের মাধ্যমে বিষয়টা জানান। কি লিখব বুঝতে পারছিলাম না। অভিজিৎ রায়-ই স্টিফেন জে গুল্ড এর “ননওভারল্যাপিং ম্যাজিস্টারিয়া” প্রবন্ধের লিংক পাঠালেন। পছন্দ হয়ে গেল। এই প্রবন্ধটা অনুবাদ করেছি। মুক্ত-মনার ওয়েবসাইটের লিংকটাই দিচ্ছি:

# স্বতন্ত্র বলয় - স্টিফেন জে গুল্ড : মুক্তমনা